গ্যারি ম্যাকিনন
সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও হ্যাকার গ্যারি ম্যাকিনন স্কটল্যান্ডের অধিবাসী। ২০০২ সালে তাকে সর্বকালের বৃহত্তম সামরিক কম্পিউটার হ্যাক করার অপরাধে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে ম্যাকিননের যুক্তি ছিল, কেবল প্রমাণ করতে চাচ্ছিলেন খুব সহজে ইউএফও ক্রিয়াকলাপ ও অন্যান্য প্রযুক্তিতে সাধারণ কেউ নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করতে পারে। তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন ১৯৬৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। ছোটবেলা থেকেই এই জিনিয়াসের ইউএফও (ufo)) সম্পর্কে তথ্য জানার প্রবল আগ্রহ ছিল।
তিনি ভেবেছিলেন কোনোভাবে যদি নাসার ওয়েবসাইটে সরাসরি প্রবেশ করা সম্ভব হয় তবে ইউএফও সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যাবে। এই ভেবে তিনি ২০০১ সালের ১ সেপ্টেম্বর আমেরিকান আর্মড ফোর্স এবং নাসার ৯৭টি কম্পিউটার হ্যাক করেন। ভাইরাস ইনস্টলের মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইলও মুছে দেন।
তিনি আর্ল নেভাল স্টেশনগুলোতে অস্ত্রের লগসমূহ মুছে দেন। মার্কিন নৌবাহিনীর আটলান্টিক নৌবহরের জন্য সরবরাহযোগ্য ৩০০টি কম্পিউটারের নেটওয়ার্ককে অকার্যকর করে ফেলেন।
এ ছাড়াও ম্যাকিননের বিরুদ্ধে তার নিজের কম্পিউটারে ডেটা, অ্যাকাউন্ট ফাইল এবং পাসওয়ার্ড অনুলিপি করার অভিযোগ ছিল। তার সৃষ্ট সমস্যা সংশোধনে মার্কিন কর্তৃপক্ষের হয়েছিল ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। সব কিছুই তিনি শুধু জানার আগ্রহ থেকে করেছিলেন। লন্ডনে তার বান্ধবীর আন্টির বাড়িতে বসে এই হ্যাকিং সম্পন্ন করেন। তিনি শুধু বেআইনিভাবে এই ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ ও তথ্য মুছে দিয়েই ক্ষান্ত হননি। ওয়েবসাইটগুলোর নিরাপত্তা বিভাগের দায়িত্বে থাকা দলের উদ্দেশে একটি বার্তা লিখে রাখেন। বার্তাটি ছিল ‘ইউর সিকিউরিটি ইজ ক্র্যাপ’ যা ছিল এই দলের জন্য ভীষণ লজ্জাজনক। এ ছাড়া তিনি ওয়াশিংটন নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা ইউএস মিলিটারির প্রায় ২ হাজারটি কম্পিউটার ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। এটি ছিল সর্বকালের সেরা মিলিটারি কম্পিউটার হ্যাকের ঘটনা।
লুলজসিক
লুলজসিক নামটির মূলভাব হলো ‘লুলজ সিকিউরিটি’। এখানে লুলজ হচ্ছে ইন্টারনেটে উচ্চস্বরে হাসির সংকেত ‘লল = লাফ আউট লাউড’-এর সংকুচিত রূপ। গ্রুপটি সাধারণত বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ডিডিওএস অর্থাৎ ‘ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনাইয়াল অব সার্ভিস’ আক্রমণ চালিয়ে থাকে। এর মাধ্যমে সাইটকে উচ্চ ট্র্যাফিকের মাধ্যমে ব্যবহারের অনুপযোগী করে রাখা যায়। প্রচন্ড শক্তিশালী ব্ল্যাক হ্যাট কম্পিউটার হ্যাকিং গ্রুপটি লুলসেক নামেও পরিচিত।
গ্রুপটি সিআইএর ওয়েবসাইট অফলাইনে নেওয়ার দায়ও স্বীকার করে। বিভিন্ন নিউজ করপোরেশনের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করত।
২০১১ সালে সনি পিকচার্স থেকে ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্টগুলোর অ্যাপসসহ বেশ কয়েকটি হাই প্রোাফাইল হামলার দায় স্বীকার করেছিল। এর মধ্যে ছিল সনি, নিউজ ইন্টারন্যাশনাল, সিআইএ, এফবিআই, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের মতো কোম্পানির ওয়েবসাইট। এই গ্রুপটি সিআইএর ওয়েবসাইট অফলাইনে নেওয়ার দায়ও স্বীকার করে। বিভিন্ন নিউজ করপোরেশনের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তারা বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার করত। এই দলটি ‘দ্য টাইমস’ এবং ‘দ্য সান’ এর মতো জনপ্রিয় পত্রিকার ওয়েবসাইট হ্যাক করে সেখানে তাদের অবসরে যাওয়ার সংবাদ প্রচার করেছিল।
ম্যাথু বেভান এবং রিচার্ড প্রাইস
৪১ বছরের ম্যাথু বেভান এবং ৩৫ বছরের রিচার্ড প্রাইস ছিলেন একে অপরের সহযোগী। তাদের লক্ষ্য ছিল আমেরিকা এবং উত্তর কোরিয়ার মাঝে বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য হস্তগত করা। এই দুই ব্রিটিশ হ্যাকার পেন্টাগনের নেটওয়ার্ক আক্রমণ করেন। তা ২ সপ্তাহের বেশি সময় নিজেদের আয়ত্তে রাখেন। তারা উত্তর কোরিয়ার মার্কিন সেনার তথ্যও অধিকরণ করেন। কোরিয়ান পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে সেগুলো ব্যবহার করতেন। তারা আমেরিকার পরিচয় গোপন রেখে কাজগুলো করতেন। যেহেতু উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক ভালো ছিল না তাই এই হ্যাকিংয়ের দায় উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়ার ওপরে চাপিয়ে দিত। পরবর্তীতে তা আন্তর্জাতিক সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। যদিও পরে তা সরকার রিকভার করে। প্রাইস যখন ১৬ এবং বেভান ২১ তখন তারা কোরিয়ান পারমাণবিক সুবিধা এক্সেস করেন। দুই কোরিয়ার যুদ্ধের সময় তারা এই কর্মকাণ্ড করেন। যদিও পরের বছর তাদের গ্রেফতার করা হয়।
কেভিন পলসেন
ডার্ক দান্তে নামে পরিচিত আমেরিকান হ্যাকার কেভিন পলসেন। এফবিআই ডাটাবেজ ও স্টেশন ফোন লাইন্স হ্যাক করে আলোচনার ঝড় তুলেছিলেন। বর্তমানে তিনি ওয়্যার্ড নিউজের সিনিয়র এডিটর হিসেবে কর্মরত আছেন। নিজেকে ডার্ক দান্তের মতো এমন আজগুবি নামে পরিচিত করা এই লোকটির কাজও আজগুবি ধরনের। টেলি নেটওয়ার্কিংয়ের ওপর দক্ষ এই ব্যক্তি একবার একটি রেডিও চ্যানেলের কোনো একটি প্রতিযোগিতার ফোনলাইন হ্যাক করে নিজেকে বিজয়ী হিসেবে নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। তখন সেই রেডিওতে একটি প্রতিযোগিতা চলছিল। প্রতিযোগিতাটি এমন ছিল যে ১০২ নম্বর কলারকে একটি দামি পোর্শে গাড়ি পুরস্কার দেওয়া হবে। কেভিন গাড়িটি পাওয়ার জন্য পুরো টেলিফোন লাইন জ্যাম করে দিয়েছিলেন। তারপর নিজে ১০২ নম্বর কলার হয়ে পুরস্কারটি জিতে নেন। অবশ্য পরবর্তীতে তিনি লস এঞ্জেলসের এই রেডিও চ্যানেল হ্যাক করে যেমন বিখ্যাত হন তেমনি এফবিআই এর হাতে বন্দীও হন। পরবর্তীতে তাকে ৫১ মাসের কারাদ- এবং ৫৬ হাজার ইউএস ডলার জরিমানা করা হয়। ১৯৯৫ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে নিজেকে বদলে পেশা হিসেবে বেছে নেন সাংবাদিকতা। ২০০৬ সালে মাইস্পেস নামে একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্র্কিং সাইট খুলে ৭৪৪ জন্য যৌন অপরাধী ধরিয়ে দিয়ে আবার আলোচিত হন।
আদ্রিয়ান লামো
আদ্রিয়ান লামো একজন কলম্বিয়ান-আমেরিকান কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও গ্রে-হ্যাট হ্যাকার। তিনি প্রথম আলোচনায় আসেন, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, ইয়াহু! মাইক্রোসফটের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হ্যাক করে। এই অপরাধে ২০০৩ সালে তিনি গ্রেফতার হন। ২০১০ সালে লামো বিকল্পধারার ওয়েবসাইট উইকিলিকসে তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে আটক মার্কিন সেনা কর্মকর্তা ব্র্যাডলি ম্যানিং সম্পর্কে এফবিআইকে তথ্য দেন। এরপর এফবিআই ম্যানিংকে গ্রেফতার করে। আদ্রিয়ান লামো ১৯৮১ সালে বোস্টন, ম্যাসাচুসেটসয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
হ্যাকিং ছাড়াও তিনি কয়েকটি বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা বিশ্লেষণ করেছেন কিন্তু তার কাজের জন্য কোনো টাকা নেননি।
তিনি হ্যাক করার জন্য সাধারণত কফি শপ, গ্রন্থাগার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাফে ব্যবহার করতেন। হ্যাকিং ছাড়াও তিনি কয়েকটি বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা বিশ্লেষণ করেছেন কিন্তু তার কাজের জন্য কোনো টাকা নেননি। ’৯০-এর দশকের মাঝের দিকে লামো সমকামি ও হিজড়াদের মিডিয়া ফার্ম প্লানেটআউট.কম-এ একজন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেন। ২০০১ সালের ডিসেম্বরে ‘ওয়ার্ল্ডকম’ এর নিরাপত্তা ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে লামো ব্যাপক প্রশংসিত হন।
জোনাথন জেমস
১৬ বছর বয়সের আমেরিকান কিশোর জোনাথন জেমসকে পেয়েছিল হ্যাকিংয়ের নেশায়। তিনিই প্রথম স্বল্পবয়ষ্ক কোনো তরুণ যাকে সাইবার অপরাধের দায়ে বহুবার বন্দী হতে হয়েছিল। ইউএস ডিফেন্স ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটকে হ্যাক করা তার চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছিল। তিনি এই এজেন্সিতে এমন একটি সিস্টেম ইন্সটল করেছিলেন যা এজেন্সিতে কর্মরত সব কর্মচারীর মধ্যে আদান-প্রদানকৃত বার্তাগুলো নিজের আয়ত্তে নিতে পারতেন। এই প্রক্রিয়া ব্যবহারের মাধ্যমে কর্মচারীদের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড সংগ্রহের পর তিনি তাদের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য হস্তগত করতেন। এমনকি তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যারও চুরি করতেন। ১.৭ মিলিয়ন ডলারের নাসা সফটওয়্যার চুরি করে নাসার সার্ভার ও সিস্টেমকে শাটডাউন করতে বাধ্য করেছিলেন তিনি। সাইবার স্পেসে তার এই অস্বাভাবিক ব্যবহার জেমসকে ১০ বছর কম্পিউটার স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকার শাস্তি দিয়েছিল। ২০০৮ সালে তিনি আত্মহত্যা করেন।
কেভিন মিটনিক
কেভিন ডেভিড মিটনিক একজন আমেরিকান কম্পিউটার নিরাপত্তা কনসালট্যান্ট, লেখক, সাজাপ্রাপ্ত সাইবার অপরাধী এবং হ্যাকার। অথচ শক্তিশালী এই হ্যাকার নিজেকে কখনো হ্যাকারের তালিকাবদ্ধ করতে রাজি ছিলেন না। তার মতে তিনি নিছকই একজন সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ধরনের হ্যাকিং কার্যকলাপের দরুণ যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাকে ‘দেশের ইতিহাসের সেরা সাইবার ক্রিমিনাল’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। তাকে বলা হয় ‘ফাদার অব অল হ্যাকার’। এক সময়ে তিনি ছিলেন আমেরিকার মোস্ট ওয়ান্টেড সাইবার অপরাধী। তিনি আইবিএম, নোকিয়া, মটোরোলা, পেন্টাগনসহ বেশকিছু টেলিকম কোম্পানির ডাটাবেজ হ্যাক করেছিলেন। এর থেকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার আয় করেছিলেন। তিনি আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি সিস্টেম হ্যাক করতে চেয়েছিলেন। এসব অপরাধের জন্য তাকে সর্বমোট ৫ বছর কারাভোগ করতে হয়। যার মধ্যে আট মাস ছিল নির্জন কারাভোগ। সাজা শেষ হওয়ার পর তিনি নতুন করে জীবন শুরু করেন। ২০১৩ সালের ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট মিটনিককে দেশটির নির্বাচনের সব তথ্য সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘নেট লকের’ কম্পিউটার সিস্টেমের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করার জন্য নিয়োগ দেন। কেভিন মিটনিক হ্যাকিং জীবন পৃথিবীজুড়ে এতটাই আলোচিত বা সমালোচিত হয়েছে যে, তার জীবনের ওপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যে হলিউডে দুটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি একজন সিকিউরিটি এক্সপার্ট হিসেবে একটি কোম্পানিতে কর্মরত আছেন।
অ্যানোনিমাস
অ্যানোনিমাস একটি বৈশ্বয়িক হেকটিভিস্ট দল। এই দলটি সাধারণত কোনো ওয়েবসাইটে ডিনাইয়াল অব সার্ভিস (ডস) এর মাধ্যমে হামলা করে থাকে। ২০০৩ সালে এই দলটি গোটা বিশ্বের কিছু ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সমন্বয়ে গঠিত হয়। অ্যানোনিমাসের সদস্যরা ‘অ্যানোন’ নামে পরিচিত। এক ধরনের মাস্ক ব্যবহারকারী একটি ছদ্মবেশী হ্যাকার গ্রুপ এটি। ভক্তদের কাছে ‘ডিজিটাল রবিনহুড’ নামে এরা পরিচিত। তবে সাধারণ মানুষের কাছে এরা কিছু মুখোশধারী মানুষ হিসেবে বেশি পরিচিত। এই গ্রুপটি তাদের নাম পরিচয় গোপন রেখে হ্যাকিং করতে ভালোবাসে। অ্যানোনিমাসের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত অনেক দেশে সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে। তারা বিভিন্ন দেশের সরকারি ওয়েবসাইটেও হামলা করে থাকে। তারা বিভিন্ন সরকারি, ধর্মীয়, এবং করপোরেট ওয়েবসাইটগুলোতে হানা দিয়ে নিজেদের অস্তিত্বের প্রমাণ দেয়। তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে এফবিআই, সিআইএ, পে পাল, সনি, মাস্টারকার্ড, ভিসা ইত্যাদি। এ ছাড়া তারা বিভিন্ন দেশ যেমন ভ্যাটিকান, চীন, ইসরায়েল, তিউনেসিয়া, উগান্ডার সরকারি ওয়েবসাইটগুলোকেও নিজেদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করে। অ্যানোনিমাস সমর্থিত লালজসিক ও অপারেশন এন্টিসেক যুক্তরাষ্ট্র সরকার, সংবাদমাধ্যম, ভিডিও গেম কোম্পানি, মিলিটারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, আর্মি অফিসার এবং পুলিস অফিসারের ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা চালায়। ২০০৯ সাল থেকে অ্যানোনিমাসের সাইবার হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েক ডজন লোককে গ্রেফতার করে।








0 Comments